এবার রান্না করবেন মাটন নিহারী - Natore News | নাটোর নিউজ | ২৪ ঘন্টাই সংবাদ | বিনোদন খবর

Post Top Ad

Responsive Ads Here
এবার রান্না করবেন মাটন নিহারী

এবার রান্না করবেন মাটন নিহারী

Share This


মাটন পায়া স্যুপ বা মাটন নিহারী, বাঙ্গালীদের প্রিয় একটি খাবার। ফারসি ভাষায় “নিহার” শব্দটির অর্থ হচ্ছে সকাল, এই খাবারটি সকালের নাস্তাতে খাওয়া হয় বলে এর নামকরণ করা হয়েছে নিহারী! জানামতে এই রান্নার চল প্রথমে শুরু হয়েছিল দিল্লীতে। এখনতো আমাদের দেশেও ভীষণ জনপ্রিয় এটি। সকালে গরম গরম রুটি বা পরোটার সাথে ঝাল ঝাল খাসির পায়ার নিহারী! শুনেই খেতে ইচ্ছে করছে, তাই না? রেস্টুরেন্ট থেকে তো খাওয়া হয়ই, কিন্তু সেটার স্বাদ সবসময় মনমতো হয় না। খুব সহজে বাসাতেই কিন্তু এই মজাদার খাবারটি বানিয়ে নেওয়া যায়। চলুন তাহলে জেনে নেই, মাটন নিহারী রান্নার পারফেক্ট রেসিপিটি!


মাটন নিহারী রান্নার পদ্ধতি

উপকরণ

খাসির পায়া বা লেগ- ৪টা

আদা কুঁচি- ১ টেবিল চামচ

পেঁয়াজ বাটা- ৩ চা চামচ

রসুন বাটা- ২ চা চামচ

আদা বাটা- ১ চা চামচ

হলুদ গুঁড়ো- ১ চা চামচ

লালমরিচের গুঁড়ো- ১ চা চামচ

গোলমরিচের গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ

জিরা বাটা- ১ চা চামচ

তেজপাতা, এলাচ, দারুচিনি– ১টি করে

তেল- ৩ টেবিল চামচ

গরম মসলার গুঁড়ো- সামান্য

শুকনো খোলায় ভেজে রাখা জিরা গুঁড়ো- ১ চা চামচ

লবণ– স্বাদমতো

ধনেপাতা- সাজানোর জন্য

প্রস্তুত প্রণালী

১) প্রথমে প্রেশার কুকারে চার কাপ পানিতে খাসির পায়া বা নলাগুলো হলুদ ও লবণ দিয়ে সেদ্ধ করতে হবে।


২) ৩-৪টা ছিটি দিলে নামিয়ে ফেলে মাটন লেগগুলো তুলে নিন। আর মাটনের স্টক অর্থাৎ পানিটা আলাদা করে রাখুন।


৩) এবার একটি বড় পাত্রে তেল গরম করতে দিন। গরম তেলে তেজপাতা, এলাচ, দারুচিনি ও আদা কুঁচি দিয়ে দিতে হবে।


৪) এক এক করে পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা, আদা বাটা, লালমরিচের গুঁড়ো, গোলমরিচের গুঁড়ো, জিরা বাটা ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন।


৫) নিহারী রান্নায় মসলা কষানোর সময় পানির পরিবর্তে মাটন স্টক ব্যবহার করা ভালো। মাঝারি আঁচে রান্নাটা করতে হবে।


৬) তারপর পায়াগুলো দিয়ে মসলার সাথে মিশিয়ে আবার একটু কষিয়ে নিন। শুকনো খোলায় ভেজে রাখা জিরা গুঁড়ো ও স্টক দিয়ে ঢেকে রান্না করুন কিছুক্ষণের জন্য।


৭) ঝোল ঘন হয়ে আসলে গরম মসলার গুঁড়ো দিয়ে দিন। ব্যস, নামানোর সময় আদা কুঁচি ও ধনেপাতা ছড়িয়ে নিন।


গরম গরম মাটন নিহারী রেডি টু সার্ভ! পরোটা, নান বা রুটির সাথে দারুণ মানিয়ে যায় ডিশটি। তাহলে এখন থেকে এটি রেস্টুরেন্টে যেয়ে না খেয়ে, স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে বাসাতেই বানিয়ে নিন।

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here